Home বিনোদন মালয়েশিয়ান কলেজছাত্রী আলিয়া সারা—স্বপ্ন, প্রযুক্তি ও অনুপ্রেরণার গল্প

মালয়েশিয়ান কলেজছাত্রী আলিয়া সারা—স্বপ্ন, প্রযুক্তি ও অনুপ্রেরণার গল্প

24
0
blank

কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া (যমুনা সংবাদ ) আত্মবিশ্বাসী হাসি আর নীল পোশাকে শহরের ব্যস্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা যে তরুণী—তিনি আলিয়া সারা বিনতে রহমান, ২২ বছর বয়সী এক মালয়েশিয়ান কলেজছাত্রী। প্রযুক্তিপ্রেমী এই তরুণীর গল্প এখন কেবল তার ক্যাম্পাসেই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনায়।

২০২৫ সালের ২১ নভেম্বর, কুয়ালালামপুরের “জালান বুকিত বিংতাং” এলাকায় আলিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন যমুনা সংবাদের বিনোদন–শিক্ষা ডেস্কের এক প্রতিবেদক। কলেজ থেকে ক্লাস শেষ করে ফেরার পথে আলিয়া থামলেন কয়েক মিনিট; সেখানেই শুরু হয় তার অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।

আলিয়া জানান—“আমি চাই প্রযুক্তি মানুষকে সাহায্য করুক। পড়াশোনার পাশাপাশি কিছু তৈরি করতে পারলেই আমার আনন্দ।”

প্রতিবেদকের প্রতি তার আন্তরিকতা ও সহজ-সরল আচরণই বোঝায়, সফলতার পথে চললেও তিনি এখনও মাটির মানুষ।

কেদাহ প্রদেশে জন্ম নেওয়া আলিয়া ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহী। বাবা ব্যাংকার, মা স্কুলশিক্ষক—দুজনের প্রেরণায় নিয়মিত পড়ালেখা, বিজ্ঞানমেলা আর রোবটিক্স ক্যাম্পে অংশ নিতেন তিনি।

বর্তমানে তিনি কুয়ালালামপুরের একটি বিখ্যাত কলেজে ইনফরমেশন টেকনোলজি নিয়ে পড়ছেন।

তিনি “ইনোভেশন অ্যান্ড টেক ক্লাব”-এর সহ-সভাপতি, যেখানে শিক্ষার্থীরা রোবট বানানো, অ্যাপ তৈরির প্রতিযোগিতা এবং গেম ডেভেলপমেন্টের মতো মজার কার্যক্রমে অংশ নেয়।

তার কথায়—“শেখা মানেই বইয়ে ডুবে থাকা নয়; এটি আনন্দ ও সৃজনশীলতার অভিজ্ঞতা।”

মানুষের সময় বাঁচাতে তৈরি তার সাম্প্রতিক অ্যাপ কলেজজুড়ে আলোচনায়। শিক্ষার্থীদের অনেকে এটি ব্যবহার করে নিজের সময় ব্যবস্থাপনা আরও সহজ করছেন।

স্কুল ও কলেজে তিনি স্বেচ্ছাসেবী বক্তা হিসেবে মেয়েদের প্রযুক্তি শিক্ষায় উৎসাহিত করেন।

তিনি বিশ্বাস করেন—“মেয়েরা চাইলে প্রযুক্তির যে কোনো ক্ষেত্রে সফল হতে পারে, দরকার শুধু সুযোগ আর নিজেকে বিশ্বাস করার ক্ষমতা।”

উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ায় স্কলারশিপ পেতে চান। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন টেক-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম তৈরির স্বপ্ন দেখেন।