ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় অবৈধ লটারি বিক্রির বিরুদ্ধে কড়াকড়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। দীর্ঘদিন ধরে হাট-বাজারে সক্রিয় একটি চক্র গোপনে লটারির টিকিট বিক্রি করে আসছিল। শনিবার (১৯ জুলাই) এই চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে কারাদণ্ড দিয়েছেন।
উপজেলার সরদারহাট, নাউতারা ও বালাপাড়া এলাকায় পরিচালিত অভিযানে মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ অনুযায়ী এবং দণ্ডবিধি ১৮৮ ধারায় সরকারি আদেশ অমান্য করে লটারি বিক্রির দায়ে দুইজনকে তিন দিন এবং একজনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানে লটারি বিক্রির কাজে ব্যবহৃত ১১টি বাক্স জব্দ করা হয়, উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ অবিক্রিত লটারির টিকিট।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আখতার। তিনি জানান, “সরকারি নির্দেশ অমান্য করে জনগণকে প্রতারিত করার এই অপচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয় প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এসব লটারি বিক্রির মাধ্যমে দরিদ্র মানুষদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হচ্ছিল।
উল্লেখ্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় উপজেলা প্রশাসন ডিমলা ইতিমধ্যেই কয়েকটি জায়গায় নজরদারি বাড়িয়েছে, যাতে এই ধরনের অবৈধ কার্যক্রম পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে না ওঠে।
ডিমলায় যেভাবে গোপন চক্র লটারির নামে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল, তা গোটা দেশের জন্যই একটি সতর্ক সংকেত। এমন অভিযান নিয়মিত ও দেশব্যাপী চালু না হলে, সমাজে এ ধরনের অর্থনৈতিক প্রতারণা বাড়তেই থাকবে। জনস্বার্থে প্রশাসনের এমন সাহসী উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।








