আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্র সরকার এক চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে, যিনি দেশটিতে একটি মারাত্মক জীবাণু পাচার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দাবি, এই জীবাণুটি ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জৈবিক উপাদান’, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারত।
৪ জুন ২০২৫, বুধবার সংবাদ সংস্থা BRICSNews জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে জানা গেছে, তিনি একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার আড়ালে এই জীবাণুটি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছিলেন। ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (FBI) ও যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
জানা গেছে, যে জীবাণুটি পাচারের চেষ্টা করা হয়েছে তা জিনগতভাবে রূপান্তরিত (genetically modified) এবং সহজেই সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম। এটি ব্যবহৃত হলে গণসংক্রমণ ঘটার ঝুঁকি ছিল বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ঘটনার ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে। গত কয়েক বছর ধরে প্রযুক্তি চুরির অভিযোগ, গুপ্তচরবৃত্তি ও ভূরাজনৈতিক বিরোধে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমাগত অবনতি হচ্ছে।
এখনো চীন সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, বেইজিং এ ঘটনাকে “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে উল্লেখ করতে পারে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। জৈব অস্ত্রের অপব্যবহার রোধে আন্তর্জাতিক আইন ও নীতিমালার আওতায় তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।








